নিউ ইয়র্ক: আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার বাকি। এরপরই ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের(FIFA World Cup 2026) খেতাব কার হাতে উঠবে, তার ভাগ্যপরীক্ষায় মাঠে নেমে পড়বে বিশ্ব ফুটবলের ২ শক্তিধর
দেশ আর্জেন্তিনা ও স্পেন (Argentina vs Spain)। দুটো দলই দুর্দান্ত পারফর্ম করে এবারে টুর্নামেন্টের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে এবারের বিশ্বকাপে খেলতে নেমেছিল লিওনেল মেসির (Lionel Messi) দল। কেরিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ খেলতে নেমে ৩৯ বছরের 'বুড়ো' মেসিই যেন আরও ধারালো হয়ে উঠেছেন গোটা টুর্নামেন্ট জুড়ে। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক এবারের টুর্নামেন্টে কোন কোন দলের বিরুদ্ধে কীভাবে জয় ছিনিয়ে নিয়ে ফাইনালে পৌঁছল লাতিন আমেরিকার এই দলটি--
এবারের টুর্নামেন্টে এখনও পর্যন্ত কোনও ম্য়াচেই হারেনি। টানা ৬ ম্য়াচ অপরাজিত থেকেই বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে মেসি, মার্তিনেজ, এঞ্জোরা। গ্রুপর্বে প্রথম ম্য়াচে আলজিরিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল আর্জেন্তিনা। সেই ম্য়াচে মেসি হ্যাটট্রিক করেন। ৩-০ গোলে জয় পায় আর্জেন্তিনা। দ্বিতীয় ম্যাচে ইউরোপীয় প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে নক আউট পর্ব নিশ্চিত করে তারা। নিয়মরক্ষার ম্য়াচ ছিল জর্ডনের বিরুদ্ধে। সেই ম্য়াচে মেসিকে শুরু থেকে খেলাননি আর্জেন্তিনার কোচ স্কালোনি। কিন্তু সেই ম্য়াচেও ৩-১ গোলে জয় ছিনিয়ে নেয় নীল সাদা শিবির। ৯ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে নক আউটে পা রাখে আর্জেন্তিনা।
নক আউটে রাউন্ড অফ ৩২-তে কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছিল আর্জেন্তিনাকে। কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে ফাইনালে খেলতে নেমেছিল মেসি বাহিনী। নির্ধারিত সময়ে খেলা ড্র থাকার পর অতিরিক্ত সময়ে ৩-২ ব্যবধানে জয় পায় আর্জেন্তিনা।
রাউন্ড অফ ১৬-তে কিছুটা বিতর্ক হয় আর্জেন্তিনা বনাম মিশর ম্য়াচ নিয়ে। সোশ্য়াল মিডিয়ায় অনেকেই বলেছিল যে আর্জেন্তিনাকে কিছুটা বাড়তি সুবিধে দিয়েছে ম্য়াচে রেফারি। তাঁর কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তবে একটা সময়ে মিশরের বিরুদ্ধে ০-২ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকার পরও ৩-২ ব্যবধানে ম্য়াচটি জিতে যায় ২০২২ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দলটি।
কোয়ার্টার ফাইনাল আর্জেন্তিনার প্রতিপক্ষ ছিল সুইজারল্যান্ড









