মায়ামি: আপাত অর্থে বিশ্বকাপের সম্ভবত সবথেকে গুরুত্বহীন ম্যাচ, ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশঁর কথায় যে ম্যাচে কোন দল বা খেলোয়াড়ই খেলতে চান না। তবে সেই ম্যাচই
চিরস্মরণীয় হয়ে থাকল একগুচ্ছ গোল ও একাধিক বিশ্বরেকর্ডের জন্য। ১০ গোলের থ্রিলারে তৃতীয় স্থান দখলের ম্যাচে ফ্রান্সকে পরাজিত করল ইংল্যান্ড। থ্রি লায়ান্সের হয়ে হ্যাটট্রিক করে দলকে জেতালেন বুকায়ো সাকা।
তবে ফ্রান্স হারলে কিলিয়ান এমবাপে জোড়া গোল করে লিওনেল মেসিকে 'গোল্ডেন বুট'-র দৌড়ে টপকে তো গেলেনই, পাশাপাশি তিনিই আর্জেন্তাইন কিংবদন্তিকে পিছনে ফেলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বকালের সর্বাধিক গোলদাতা হয়ে গেলেন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে মেসির থেকে এক বেশি ২২টি গোল করে ফেললেন এমবাপে। ফ্রান্স অধিনায়কের প্রথম গোলের অ্যাসিস্টটি বাড়ালেন মাইকেল ওলিজ়ে। এটি বিশ্বকাপে তাঁর ষষ্ঠ অ্যাসিস্ট। এই অ্যাসিস্টের সুবাদে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন তিনিও। পেলের সঙ্গে এক বিশ্বকাপে যুগ্মভাবে সর্বাধিক গোলের অ্যাসিস্ট দেওয়ার কৃতিত্ব এখন ফরাসি মিডফিল্ডারের নামে।
পাশাপাশি এই ম্যাচে ইতিহাস গড়লেন ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যামও। চলতি বিশ্বকাপে নিজের সপ্তম গোল করলেন তিনি। এক বিশ্বকাপে আর কোনও ইংল্যান্ড ফুটবলার কোনওদিন এতগুলি গোল করেননি। শেষমেশ এক রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ৬-৪ স্কোরলাইনে জিতে তৃতীয় হল ইংল্যান্ড। এই শতাব্দীতে তো বটেই বিশ্বকাপের ইতিহাসে ১৯৬৬ সালে বিশ্বজয় ব্যতীত আর কোনও বিশ্বকাপে এত উপরে শেষ করেনি থ্রি লায়ান্সরা। সেই অর্থে খেতাব হাতছাড়া হলেও, টমাস টুশেলের ছেলেরা এই বিশ্বকাপকে স্মরণীয় করে রাখলেন।








