What is the story about?
কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের মাত্র কয়েকমাস আগেই বিশেষ নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মীনাকে ভিনরাজ্যের অবজারভার হিসেবে ট্রেনিং দেওয়ার নির্দেশ দিল কমিশন। শুধু স্বরাষ্ট্রসচিব নন,
রাজ্যের মোট ১৫ জন আইএএস ও ১০ জন আইপিএসকে ট্রেনিং নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের কাজে অবজারভার হিসেবে ভিনরাজ্যে পাঠানো হতে পারে তাঁদের। আইএএস বা আইপিএস অফিসারদের ভিনরাজ্যে অবজারভার হিসেবে পাঠানোর বিষয়টি নতুন নয়, তবে কোনও রাজ্যের স্বরাষ্টসচিবকে ভিনরাজ্যে এভাবে দায়িত্ব দেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। তৃণমূলের দাবি, বিজেপি ষড়যন্ত্রমূলক কাজ করাচ্ছে কমিশনকে দিয়ে। অন্যদিকে, বিজেপি বলছে, এটাই নিয়ম, এভাবেই অবজারভার নিয়োগ করা হয়। শুধুমাত্র রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব নয়, তালিকায় রয়েছে আরও একাধিক সিনিয়র অফিসারের নাম। নাম রয়েছে হাওড়ার সি পি প্রবীন ত্রিপাঠি, উলগানাথান, সঞ্জয় বানশাল, শুভাঞ্জন দাসের নাম।
আগামী ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি তাঁদের ট্রেনিং নেওয়ার সময় ধার্য করা হয়েছে। প্রশ্ন হল, এক রাজ্যের অফিসারদের অন্য রাজ্যে অবজারভার করা হয় ঠিকই, তবে স্বরাষ্ট্রসচিবকে এভাবে ডাকা যায় কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের যুক্তি হল, নিয়ম মেনে অবজারভারের তালিকা চেয়ে রাজ্য সরকারকে পাঁচ বার রিমাইন্ডার দিয়েছিল কমিশন। তারপরও কোনও তালিকা দেয়নি রাজ্য। তারপরই
স্বরাষ্ট্রসচিব ও সিপিকে অবজারভার হিসেবে নিয়োগ করার কথা জানানো হয়েছে। তবে ট্রেনিং নিলেই যে তাঁদের অবজারভার হিসেবে নিয়োগ করা হবে, তেমনটা নয়। তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, "এটা ষড়যন্ত্রমূলক কাজ। বিজেপি পিছন থেকে করাচ্ছে। ভারতের ৫ রাজ্যে নির্বাচন হবে। যে সব রাজ্যে নির্বাচন নেই, সে সব জায়গা থেকে অবজারভার নিয়েই কাজ চালানো যায়। বিজেপি মরিয়া হয়ে এই সব গেম প্ল্যান তৈরি করছে।" এদিকে, বিজেপির দাবি, এটাই নিয়ম। বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, সেই ১৯৫২ সাল থেকে ব্যাচ ধরে তালিকা তৈরি করে কমিশন।














