What is the story about?
কলকাতা: সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমতলার পার্টি অফিস ভাঙার উপর স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নতুন করে পদক্ষেপ করা যাবে না। এমনই নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর। শনিবার আমতলার অফিসে (Amtala Party Office Bulldozer) বুলডোজ়ার-কাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। রবিবার ছুটির দিনই জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী। প্রথমে ১২টায় শুনানি শুরুর কথা থাকলেও রাজ্যের আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় নির্ধারিত সময়ে শুনানি করা যায়নি। পরে দেড়টা নাগাদ ফের শুনানি শুরু হয় বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর এজলাসে। এরপরই অভিষেকের অফিস ভাঙায় আপাতত স্থগিতাদেশ দেয় আদালত।
অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র
: হঠাৎ করে শুনানি হওয়ার কারণে কোনও নির্দেশ আনার সুযোগ পাওয়া যায়নি। গত ১৩ জুন জানানো হয়েছিল কোন আইনের ভিত্তিতে ভাঙা হচ্ছে। ওই নির্মাণের কোনও অনুমোদন ছিল না। সম্পূর্ণ বেআইনি নির্মাণ। এ ভাবে চললে বেআইনি নির্মাণকে উৎসাহিত করা হবে। ছুটির দিনে কোর্ট বসিয়ে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ পাওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরী: দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা পরিষদের নোটিস জমির মালিক জানতেন কি? মামলাটি রেগুলার বেঞ্চে না ওঠা পর্যন্ত আপনাদের থেমে থাকা উচিত নয় কি? জেলা পরিষদের কাছে বিচারপতি: ভাঙার কোনও নির্দেশের কপি কি দেওয়া হয়েছিল? জেলা পরিষদের আইনজীবী তাপস মণ্ডল: নির্মাণ পরিদর্শনের রিপোর্ট রয়েছে। যাচাই করে দেখা গিয়েছে ৬.৫ মিটার বেশি উঁচু নির্মাণ ছিল। ওই নির্মাণের ক্ষেত্রে জেলা পরিষদের অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু সেখান থেকে কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি।
কিশোর দত্ত: আমাকে সময় দেওয়া উচিত ছিল ভাঙার জন্য। সেই সময়ের মধ্যে না ভাঙলে আমাকে জরিমানা করে পদক্ষেপ করতে পারত। এখনও ভাঙা চলছে। শনিবার ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। এত তাড়াহুড়োর কী ছিল? আইনজীবী তাপস মণ্ডল: দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা পরিষদের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সেখানে অনুসন্ধান করেছেন। সেখানে ডায়মন্ড হারবারের এমপি অফিস রয়েছে। ওই ভবনের কোনও অনুমোদন নেই বলে গত ২৫ জুন তিনি রিপোর্ট দেন। এক্সিকিউটিভ অফিসারের রিপোর্টের ভিত্তিতে হিয়ারিং অফিসার পদক্ষেপ করেন। ওই ভবন ভাঙার নির্দেশ দেন। এরপর আমতলার অফিস ভাঙার উপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখে কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত জানায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেখানে নতুন করে কিছু করা যাবে না। অর্থাৎ, এখন যা অবস্থায় রয়েছে সেটিই বহাল থাকবে। আদালতের নির্দেশের পরই আমতলার অফিস ভাঙার কাজ বন্ধ হয়ে যায়। মামলার তৃণমূলের আবেদন ছিল, ওই ভবন থেকে কিছু জিনিসপত্র সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। তাঁরা সেখানে লুটপাট চালিয়েছে। যে সব জিনিস নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেগুলি ফেরত দেওয়ার আবেদন করা হয়। কিন্তু, আদালত তৃণমূলের ওই আবেদন নাকচ করে দেয়। বিচারপতি জানান, আপাতত পুলিশের ওই পদক্ষেপে কোনও হস্তক্ষেপ করবে না হাইকোর্ট।














