রুমা পাল, কলকাতা : নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে রীতিমতো ধমক খেলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক। কোন কর্তৃত্বে ERMO-দের ডেকেছিলেন AERO-রা ? জেলাশাসককে এই প্রশ্ন
করে কমিশন। একাধিক জেলাশাসকের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ নির্বাচন কমিশন। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে বিলম্বের জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের গাফিলতিতেও ক্ষুব্ধ কমিশন। অন্যদিকে, পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক বক্তব্য না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। অর্থাৎ, একাধিক জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাজে ক্ষুব্ধ নির্বাচন কমিশন। SIR শেষের আগে বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠকে যোগ দেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে বলা হয়েছে, বিদেশি ভোটারদের নাম যেন কোনও ভাবেই ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সমস্ত DM-কে নিজে থেকে সমস্ত তথ্য যাচাই করতে হবে। এরকমও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, যদি কোনও কারণে যদি কারো নাম থেকে যায় তাহলে ১, ২ বা ৫ বছর পরেও কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অর্থাৎ, মামলা হতে পারে। অর্থাৎ, যে সমস্ত আইএএস অফিসারদের এখনও পর্যন্ত কাজ রয়েছে, সেক্ষেত্রে তাঁদের ঝুঁকি রয়েছে।














