কলকাতা: , আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮। "আগুনে পুড়ে ঝলসে চেনা যাচ্ছে না মুখ.." ! যার দরুণ দেহ সনাক্তকরণ সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে প্রিয়জনকে
খুঁজে বেড়াচ্ছেন আনন্দপুরের অনেকেই। তাই দেহ পাঠানো হচ্ছে DNA পরীক্ষার জন্য।
[yt]https://youtu.be/IhDq1Tv-5KU?si=Q3pYgiBShSBi4X6C[/yt]
আরও পড়ুন, "কত ক্ষমতা আছে...তালডাংরায় ভোটে দাঁড়ান, মানুষ আপনাকে ছুড়ে ফেলে দেবে" ! সুকান্তকে চ্যালেঞ্জ তৃণমূল নেতার
আনন্দপুর যেন মৃত্য়ুপুরী! মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮। নাজিরাবাদে ২ টি গুদামে ভয়াবহ আগুন। ডেকরেটার্সের গুদাম থেকে আগুন ছড়ায় খাবারের গুদামে। পুড়ে, ঝলসে মৃত্য় হল, বেশ কয়েকজন কর্মীর। এখনও খোঁজ মেলেনি অনেকের। নিখোঁজ কর্মীদের আত্মীয়দের দাবি, গোডাউনের দরজা ছিল তালাবন্ধ। জেসিবি দিয়ে লোহার কাঠামো সরিয়ে, শুরু হয়েছে খোঁজ। ধিকিধিক জ্বলছে আগুন!কিন্তু পরিবারের সদস্য়দের বুকে সেই আগুনই জ্বলছে দাউ দাউ করে!যা আর কোনওদিন নিভবে না!ওরা আর কোনওদিন ফিরবে না।
আগুনে শেষ মানুষ!আগুনে শেষ গরীব পরিবার! একের পর এক ঝলসানো দেহ। চেনার উপায় নেই! মৃত্য়ু মিছিল। দিকে দিকে স্বজনহারাদের কান্না। কলকাতার বুকে ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। আনন্দপুর যেন মৃত্য়ুপুরী! চির জীবনের মতো আনন্দ শেষ! মৃত্য়ুর কবলে জীবন! রবিবার রাতে EM বাইপাসের ধারে, আনন্দপুরের কাছে নাজিরাবাদে, ২টি গুদামে ভয়ঙ্কর আগুন লাগে। ২-২ টো গোডাউন গ্রাস করে ফেলে আগুনের লেলিহান শিখা। বাঁচার চেষ্টা করেও লাভ হল না। মৃত্য়ু হল, গোডাউনের ভিতরে থাকা একাধিক কর্মীর।
নেই ঢাল, নেই তরোয়াল। আনন্দপুরের গোডাউনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কার্যত নেই। ৫ কেজির ২ টো অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র এত বড় কারখানার ঠিক কোথায় বসানো তা জানেন না প্রায় কেউই। আর জেনেই বা কী! এত বড় জায়গার তুলনায় ২ টো অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র নেহাতই নগন্য। এখানে রাখা হয়েছে ৫ কেজির মাত্র ২ টি ফায়ার এক্সটিঙ্গুইসার!যা এত বড় জায়গার জন্য় কিছুই নয়।
গোডাউনের প্রাক্তন কর্মী বলেন, যখন অয়্য়ারহাউজটা হয়েছিল, সেই সময় ফায়ারের যে প্রোটেকশন সিস্টেম, ডিটেকশন সিস্টেম যে লাগানোর কথা হয়, তার মধ্য় স্প্রিঙ্কলার সিস্টেমে লাগানোটা বাঞ্ছনীয়। কারণ, যদি ইমারজেন্সি কিছু হয়ে যায়, যখন ফায়ার হবে, অটোমেটিক জল পড়বে স্প্রিঙ্কলার সিস্টেম থেকে। ওই সিস্টেমটা আমি পরে এসেছি। আমি দেখলাম না। যে এক্সটিঙ্গুইসারগুলো লাগিয়েছে, সেগুলো ওয়্য়ার হাউজের অনেকটা ভিতরের দিকে। যেখানে দাহ্য়বস্তু বেশি আছে। ....আমার একজন পরিচিত। সে কোনওভাবে ফাঁক গলে বেরিয়ে গেছে। বেরিয়ে বলছে অগ্নিনির্বাপণ ব্য়বস্থা এখানে কিছুই ছিল না।
দমকল আধিকারিক বলেন,'অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা যে কাজ করেনি সেটা তো বুঝতেই পারছেন।' সন্ধেয় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া কারখানার কাঠামো সরাতে আনা হয় জেসিবি।ততক্ষণে শেষ বহু প্রাণ!আরও অনেকেই তখনও ঘুরে বেড়াচ্ছেন নিজের প্রিয়জনকে খুঁজে বেড়াতে!










