Nirmala Sitharaman: মাঝে আর কিছুদিনের অপেক্ষা, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি, রবিবার পেশ হতে চলেছে ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট (Budget 2026)। আর এই বাজেটের দিকেই এখন
পাখির চোখ করে আছে দেশের রিয়েল এস্টেট বা আবাসন শিল্প (Real Estate Sector)। বহদিনের কাঙ্খিত ‘শিল্প’ বা ‘ইন্ডাস্ট্রি’-র মর্যাদা দেওয়ার কথা বলে আসছে তারা। এছাড়াও অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করা ও সিঙ্গল উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স নিয়ে সরকারের কাছে বড়সড় ঘোষণা প্রত্যাশা করছেন বিল্ডার ও ডেভেলপাররা।
এবারের বাজেটে রিয়েল এস্টেট সেক্টরের কী কী দাবি রয়েছে
কেন ‘ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যাটাস’ বা শিল্পের মর্যাদা এত গুরুত্বপূর্ণ ?
রিয়েল এস্টেট সংস্থা ও বিল্ডারদের মতে, যদি এই সেক্টরকে ‘ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যাটাস’ দেওয়া হয়, তবে তাদের জন্য অনেক সুযোগ-সুবিধার পথ খুলে যাবে।
সহজেই ঋণ পাওয়া যাবে : ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে কম সুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ পাওয়া অনেক সহজ হবে।
ফান্ড সংগ্রহ সহজ হবে : ভালো ফান্ডিং অপশন বা মূলধন সংগ্রহের সুযোগ তৈরি হবে।
স্থিতিশীলতা: ডেভেলপারদের দাবি, এটি তাদের দীর্ঘদিনের দাবি। বাজেটে এই নীতিগত সহায়তা পেলে পুরো সেক্টরে স্থিতিশীলতা আসবে ও কাজের গতি বাড়বে।
জিডিপি (GDP) ও কর্মসংস্থানে রিয়েল এস্টেটের ভূমিকা
‘মানি কন্ট্রোল’-এর একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, সিগনেচার গ্লোবাল (ইন্ডিয়া) লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, প্রদীপ আগরওয়াল জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশের জিডিপিতে রিয়েল এস্টেট সেক্টরের অবদান প্রায় ৭ শতাংশ। এই সেক্টরটি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ২০০টিরও বেশি আনুষঙ্গিক শিল্পে কর্মসংস্থান জোগায়।
তিনি আরও বলেন, "যদি এই সেক্টরকে শিল্পের মর্যাদা দেওয়া হয়, তবে বড় প্রতিষ্ঠানগুলি থেকে ফান্ডিং পাওয়া সহজ হবে। সঠিক সরকারি নীতি সহায়তা পেলে ২০৪৭ সালের মধ্যে জিডিপিতে এই সেক্টরের অবদান ১৫ শতাংশে পৌঁছতে পারে।"
অন্যদিকে, ট্রাইবেকা ডেভেলপারস গ্রুপের সিইও, রজত খন্ডেলওয়াল বলেন, "এই মুহূর্তে এমন স্থিতিশীল নীতির প্রয়োজন যা নির্মাণকারী এবং ক্রেতা—উভয়েরই উপকারে আসবে। শিল্পের মর্যাদা মিললে সস্তা ঋণ এবং দীর্ঘমেয়াদি পুঁজি পাওয়া যাবে, যা ডেভেলপারদের কাজ সহজ করবে।"
‘সিঙ্গল উইন্ডো’ ব্যবস্থার দাবি বহুদিনের
১ বাজেটে রিয়েল এস্টেট ডেভেলপারদের অন্যতম প্রধান প্রত্যাশা হলো ‘সিঙ্গল উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স সিস্টেম’ চালু করা।
২ বর্তমানে একটি প্রজেক্ট শুরু করতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর থেকে আলাদা আলাদা অনুমোদনের প্রয়োজন হয়, যা বেশ সময়সাপেক্ষ।
৩ ডেভেলপাররা চাইছেন, জমি সংক্রান্ত কাজ ও সমস্ত অনুমোদন একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা হোক।
৪ এতে সরকারি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আসবে ও সময়মতো প্রজেক্ট শেষ করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
৫ এখন দেখার বিষয়, ১ ফেব্রুয়ারির বাজেটে অর্থমন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরের মুখে হাসি ফোটান কিনা।













