কলকাতা: শহরতলিতে শো করতে গিয়ে হেনস্থার শিকার অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী (Mimi Chakraborty)। সোশ্যাল মিডিয়ায় গোটা ঘটনার কথা শেয়ার করে নিয়েছেন তিনি। মিমির
বক্তব্য, তিনি অধিকাংশ সময়েই এই সমস্ত বিষয় এড়িয়ে চলেন। সমস্যা তৈরি করতে চান না। কিন্তু প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন, যেখানে সমস্ত মানুষ ভারতের স্বাধীনতাকে উদযাপন করছেন, সেই সময়ে এই ধরণের ঘটনার তুলে ধরা গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন মিমি। নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে গোটা ঘটনার কথা শেয়ার করে নিয়েছেন মিমি। ঠিক কী ঘটেছে তাঁর সঙ্গে?
মিমি লিখছেন, 'আমরা যখন দেশ জুড়ে প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন করছি, আমরা যখন স্বাধীনতা আর সাম্য নিয়ে কথা বলছি.. কিন্তু সেই সময়ে দাঁড়িয়ে একজন মহিলা শিল্পীর সম্মান সম্ভ্রমকে খুব সহজেই নত করা যায়। আমি এত বছর ধরে সম্পূর্ণ নিজের চেষ্টায় নিজের কেরিয়ার, নিজের ইমেজ তৈরি করেছি। কিন্তু আজ চুপ করে থাকা মানে একজন শিল্পীর হেনস্থাকে মেনে নেওয়া। প্রতিবাদ না করা বা চুপ করে থাকা। আমাকে সদ্যই বনগাঁর নয়া গোপালগুঞ্জ যুবক সংঘ ক্লাবে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেখানে অনুষ্ঠান করার সময়ে, মাঝপথে আমায় হঠাৎ বলা হয় মঞ্চ ছেড়ে বেরিয়ে চলে যেতে। আমাকে আগে থেকে এই বিষয়ে একেবারেই কিছু বলা হয়নি। হঠাৎ, একেবারে দর্শকদের সামনে আমাকে এসে বলা হয় মঞ্চ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে।'
মিমি আরও লেখেন, 'দর্শকাসনে অনেক মানুষ ছিলেন যাঁরা আমার সঙ্গে একবার দেখা করার জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করছিলেন। অনেক মানুষ অপেক্ষা করছিলেন একটা ছবি তুলবেন বলে আমার সঙ্গে। কিন্তু আমি মঞ্চ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে বাধ্য হই। এখানেই শেষ নয়, মাইক্রোফোনে, সমস্ত দর্শকদের সামনে আমার সম্পর্কে আপত্তিকর ও অপমানজনক সমস্ত মন্তব্য করা হয়। এটা শুধু অপমানজনকই নয়, জনসমক্ষে আমার মানহানি। যদিও আমি নিয়ম মেনে, একটা কথাও না বলে মঞ্চ ছেড়ে বেরিয়ে যাই। তবে আমি এই বিষয়টা নিয়ে আইনত ব্যবস্থা নিচ্ছি। আজ যদি চুপ করে থাকি, তাহলে এই ঘটনা আবার আগামীকাল ঘটবে। মঞ্চে একজন শিল্পীর সম্মানকে কখনোই আলোচনা সাপেক্ষ নয়। যেহেতু এই বিষয়টা নিয়ে আইনি ব্য়বস্থা নেওয়া হয়েছে, সেই কারণে আমি এর বেশি এই বিষয়টা নিয়ে আর কোনও মন্তব্য করতে চাইছি না।'















