কোচবিহার : লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে জগদীশ বর্মা বাসুনিয়ার মন্তব্যে বিতর্ক। 'লজ্জা করে না টাকাটা যখন ব্যাঙ্ক থেকে তোলেন', 'বিজেপির মহিলাদের' উদ্দেশে মন্তব্য তৃণমূল
সাংসদের। কোচবিহারে পেটলার জনসভায় বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। যার পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি।
কী বলেছেন তৃণমূল সাংসদ ?
কোচবিহারের তৃণমূল সাংসদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়া বলেছেন, "যারা আজ এখানে কথা বলছেন,সেই বিজেপির মহিলারা হাত পেতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভিক্ষা নিচ্ছেন... লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। এটা তো বিজেপি বলে ভিক্ষা। লজ্জা করে না টাকাটা যখন ব্যাঙ্ক থেকে তোলেন। এই টাকাটা ফেরত দেওয়া উচিত। বিনা পয়সায় চাল খাচ্ছেন। কন্যাশ্রীর টাকা নিচ্ছেন, কৃষক বন্ধুর টাকা নিচ্ছেন। আর ভোটটা পদ্মফুলে দিচ্ছেন। বড় লেকচার মারছেন। আবাসের ঘর, সেটার বেলায়ও আপনারা আগে দরখাস্ত করেছেন। আর লেকচারটা মারছেন। কী দিয়েছে বিজেপি ? বলুন আপনারা... এখানকার মানুষ। যে এই ১০-১২ বছরে বিজেপি থেকে একটা প্রকল্প আপনারা পেয়েছেন। আমি কথা বলব না চলে যাব। কেউ যদি বলতে পারে যে ...বিজেপি এসে আমাদের এই উপকারটা করেছে। খালি হিন্দু আর মুসলমান। আর কোনও কথা বিজেপির নেই।"
তাঁর মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। কোচবিহারে বিজেপির সহ সভাপতি বিরাজ বসু বলেন, "জগদীশ বর্মা বসুনিয়া যে কথাগুলো বলেছেন...এটা কারো পৈতৃক সম্পত্তি নয় এই প্রকল্পগুলি। প্রত্যেকটি আমার আপনার করের টাকায়। এই প্রকল্পগুলি রাজ্যের। রাজ্যের বাইরে বিজেপির কোনও মহিলাও নন। বা, অন্য কোনও দলের মহিলাও নন। এগুলো নিয়ে জগদীশ বর্মা বসুনিয়া বা তৃণমূল নেতাদের ভাববার কোনও বিষয় নয়। আমরা ক্ষমতায় এলে...আমরা এই প্রকল্পগুলো কী তৃণমূল, কী বিজেপি, কী অন্য দলের...যারা উপভোক্তা তাঁদের আমরা সঠিক সময়ে সঠিকভাবে দিয়ে দেব।"
এবারের অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে রাজ্য সরকার লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে ৫০০ টাকা বরাদ্দ বৃদ্ধি ঘোষণা করেছে। এর ফলে সাধারণ মহিলারা মাসে পাবেন ১৫০০ টাকা করে, এসসি-এসটি-রা মাসে পাবেন ১৭০০ টাকা করে। এর পাল্টা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজেপি। 'এপ্রিলের মধ্যে যদি বিজেপির সরকার হয়, ১ মে ৩ হাজার টাকা ঢুকবে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে', বীরভূমের সভা থেকে এমনই আশ্বাস দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। একইভাবে বিজেপি ক্ষমতায় এলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা আরও বাড়বে বলে দাবি করেছেন সুকান্ত মজুমদার। Lakshmir Bhandar














