পুরুলিয়া: বিজেপি শাসিত রাজ্যে পুরুলিয়ার পরিযায়ী শ্রমিকের দেহ উদ্ধার। পুনেতে অটো পার্টস কারখানায় কাজ করতেন সুখেন মাহাতো। পুরুলিয়ার তুমরাসোল গ্রামের বাসিন্দা
সুখেন মাহাতো। ৯ ফেব্রুয়ারি কর্মস্থলে যাওয়ার পর তিনি নিখোঁজ হন। ১০ ফেব্রুয়ারি ওই যুবকের দেহ উদ্ধার হয়। নিহত পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়িতে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। সুখেন মাহাতোকে খুনের অভিযোগ তৃণমূলের। এই ঘটনায় এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ের।
[yt]https://youtu.be/X3Wr0o7Lqw0?si=EmYZi7yzDQs8zOwa[/yt]
আরও পড়ুন, আজ বাংলাদেশে ভোট, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর পদ্মাপারের সিংহাসনে বসবে কে?

এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, 'পুরুলিয়ার বান্দোয়ানের তরুণ সুখেন মাহাতোর নৃশংস হত্যা নাড়িয়ে দেওয়ার মতো। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী সদস্য খুন হয়েছেন মহারাষ্ট্রের পুণেয়। এটা ঘৃণার জন্য খুন ছাড়া অন্য কিছু নয়। ওই তরুণকে তাঁর ভাষা ও পরিচিতির জন্য অত্যাচার করে খুন করা হয়েছে। এ ঘটনায় দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি। সুখেনের পরিবারের পাশে আছি, ন্যায়বিচার পেতে সমস্ত চেষ্টা করা হবে। '
কিছুদিন আগেই দুই রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গের দুই পরিযায়ী শ্রমিকের অস্বাভাবিক মৃত্যু প্রকাশ্যে এসেছে। চেন্নাইয়ে রেললাইন থেকে উদ্ধার হয়েছিল মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের পরিযায়ী শ্রমিক আলমগীর আলমের দেহ। ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে খুন করা হয়েছে, এমনই সন্দেহ পরিবারের। মালদার পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক চাপানউতোর। অন্ধ্রপ্রদেশে সেলাই কারখানা থেকে উদ্ধার হয়েছিল উস্তির এক পরিযায়ী শ্রমিকের দেহ। একদিকে DMK শাসিত তামিলনাড়ুতে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্যমৃত্যু, আরেকদিকে NDA শাসিত অন্ধ্রপ্রদেশের সেলাই কারখানায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার উস্তির পরিযায়ী শ্রমিকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল।
অপরদিকে, সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডে পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিকের খুনের অভিযোগ ঘিরে নৈরাজ্যের চেহারা নিয়েছিল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। খুন নয়, আত্মঘাতীই হয়েছিলেন বেলডাঙার বাসিন্দা ও ঝাড়খণ্ডে কর্মরত পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিন শেখ। পড়শি রাজ্যে গিয়ে তদন্ত করে দেওয়া রিপোর্টে এমনই দাবি করে মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশ। মূলত মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশের তরফে বেলডাঙা থানার একটি বিশেষ টিম তদন্তে ঝাড়খণ্ডের পালামৌ যায়। সেখানকার একটি ভিডিও প্রকাশ করে পুলিশ। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট খতিয়ে দেখে তাদের দাবি, গলায় ফাঁস দেওয়ার কারণেই মৃত্যু হয় পরিযায়ী শ্রমিকের। তাঁর দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। গোটা তদন্ত প্রক্রিয়ার একটি ভিডিও জারি করে পুলিশ। গত ১৬ জানুয়ারি আলাউদ্দিন শেখকে খুনের অভিযোগ ঘিরেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল বেলডাঙা।














