নয়া দিল্লি: আওয়ামি লিগহীন বাংলাদেশে বড় জয় BNP জোটের। ২৯৯ আসনের নির্বাচনে ২০০-র বেশি আসনে জয়ী তারেক রহমানরা। শেখ হাসিনা জমানায় জেল খেটে স্বেচ্ছা নির্বাসনে
বিদেশে যেতে হয়েছিল যাঁকে, ১৭ বছর পর দেশে ফিরে ভোটযুদ্ধে বাজিমাত করলেন সেই খালেদা-পুত্র। সত্তরের বেশি আসন পেয়েছে জামাত জোট। শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। এরপর তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।
মোদি বলেন, 'তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলতে পেরে আনন্দিত। বাংলাদেশের নির্বাচনে অসাধারণ জয়ের জন্য আমি তাঁকে অভিনন্দন জানাই। বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে তার প্রচেষ্টায় আমার শুভেচ্ছা এবং সমর্থন জানাই। গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের অধিকারী দুটি ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে, আমি আমাদের উভয় জনগণের শান্তি, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির প্রতি ভারতের অব্যাহত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছি।'
প্রধানমন্ত্রী মোদি এর আগে একটি সোশাল পোস্ট করেছিলেন। সেখানে তিনি বলেছিলেন, 'তারেক রহমানের সঙ্গে কথা হয়েছে, শুভেচ্ছা জানিয়েছি', বাংলাদেশের উন্নয়নে খালেদা-পুত্রের পাশে থাকার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর। 'বাংলাদেশ ভোটে BNP-কে জয়ের পথে নিয়ে যাওয়ার জন্য তারিক রহমানকে অভিনন্দন। এই জয় প্রমাণ করছে বাংলাদেশের জনগণ তারেক রহমানকে বিশ্বাস করে। গণতান্ত্রিক, উন্নতিকামী বাংলাদেশকে সমর্থন চালিয়ে যাবে ভারত। ২ দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী'।
শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি বলেন, 'এই বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমান ও তাঁর দলকে আন্তরিক অভিনন্দন। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সমস্ত রাজনৈতিক দলকেই অভিনন্দন ও শুভকামনা। বাংলাদেশের ভাই-বোনেদের শুভনন্দন জানাই। আশা করি বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক সৌহার্দ্যপূর্ণ থাকবে'।
২০ বছর পর ঢাকায় আবার ক্ষমতার অলিন্দে BNP। শেখ হাসিনার আওয়ামি লিগ-হীন ভোটে, তারেক রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশে বিশাল জয় পেল BNP জোট। মুখ থুবড়ে পড়ল জামাত-জোট। পদ্মাপারে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে প্রয়াত খালেদা জিয়ার পুত্রের অভিষেক এখন কার্যত সময়ের অপেক্ষা।
বাংলাদেশে জাতীয় সংসদের ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে জয়ী হয়েছে BNP জোট। প্রায় দুই তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দু'দশক পর সরকারে গড়তে চলেছে BNP। ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬, দুটি আসনেই জয়ী হয়েছেন BNP চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
অনেক পিছিয়ে থেকে ১০০-র নীচে থামতে হল মূল প্রতিপক্ষ জামাত-জোটকে। জামাতের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়ে সেভাবে দাগই কাটতে পারল না ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা NCP।














