মুম্বই: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আগামী মাসে ভারতই হট ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামতে চলেছে। শেষবার ২০২৪ সালে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে খেলতে নেমেছিল ভারতীয় ক্রিকেট
দল। সেই টুর্নামেন্টে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। রোহিত শর্মার ভারতের ক্যাপ্টেন হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিলেন। আসন্ন টুর্নামেন্টে সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে ভারত খেলতে নামবে। হিটম্য়ান মনে করেন যে ভারতের আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তুরুপের তাস হতে পারেন অশদীপ সিংহ ও হার্দিক পাণ্ড্য।
রোহিত শর্মা বিশেষ করে অর্শদীপের প্রশংসা করেছেন। বাঁহাতি তরুণ পেসারের বোলিংয়ের বৈচিত্র্য নিয়ে আশাবাদী রোহিত। জিও হটস্টারে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হিটম্য়ান বলেন, ''এটা খুবই ইতিবাচক দিক ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য। জসপ্রীত বুমরা ও অর্শদীপ সিংহ দুজনেই একাদশে থাকলে বোলিংয়ে আলাদাই আক্রমণ হবে। অর্শদীপের সবচেয়ে বড় শক্তি ওর স্যুইং বল। দ্রুত উইকেট তুলে নিতে ওস্তাদ ও। ও মূলত নতুন বলে ও ডেথ ওভারে বল করে। আর শুরু ও শেষটা খুব প্রয়োজন।''
এরপরই রোহিত আরও বলেন, ''নতুন বলে ও বাঁহাতিতে স্যুইংয়ে কুপোকাত করে। স্লিপে শিকার করে। আর ডানহাতি ব্যাটারদের ক্ষেত্রে প্যাডে টার্গেট করে ওরা। এছাড়াও ডানহাতি ব্য়াটাররা অর্শদীপের বলে খোঁচা দিয়ে আউট হয়ে যায়। ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ফাইনালের ম্য়াচে দুর্দান্ত শুরু করেছিল অর্শদীপ। আমার এখনও মনে আছে যে কুইন্টন ডি কককে আউট করে দিয়েছিল ও, যখন সে ক্রিজে প্রায় সেট ছিল আর ছন্দেও ছিল। ১৯ তম ওভারে মাত্র ২ কি ৩ রান খরচ করেছিল। যা প্রোটিয়া শিবিরের ওপর চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিল। ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অর্শদীপ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে বলেই আমার মনে হয়।''
হার্দিক পাণ্ড্যকে নিয়েও প্রশংসা ঝড়ে পড়ল হিটম্যানের গলায়। রোহিত বলেন, ''হার্দিক যখনই দলে থাকবে, তার ভূমিকা কিন্তু অনেক বড় হবে। ও ব্য়াট আর বল ধারাবাহিকভাবে করছে। লোয়ার মিডল অর্ডারে হার্দিকের ভূমিকাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি আমরা ১৫০-১৬০ এ থাকি, আর হাতে পাঁচ ওভার থাকে আর হার্দিক ক্রিজে থাকে, তাহলে সেই রানটা ও ২১০-২২০ তে নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে। আবার আমরা যদি কখনও ৫০ রানের মধ্যে চার উইকেট হারিয়ে ফেলি, সেখান থেকেও হার্দিক ইনিংসটি গড়ে তুলতে পারে।''










