কলকাতা: SIR-শুনানির নোটিস হাতে নিয়ে লাইনে রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেন। ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে SIR নোটিস পাঠানো হয়। সেই নোটিস সংক্রান্ত
শুনানিতেই আজ হাজির হন তাজমুল, '২০০২-এর ভোটার তালিকায় মন্ত্রীর বাবার নাম ছিল দিদার বক্স', পরবর্তীকালে সেই নাম হয়ে যায় দিদার হোসেন, খবর কমিশন সূত্রে।
[yt]https://youtu.be/mRHUuP-mkUE?si=A94a7LU_ynymQrw_[/yt]
আরও পড়ুন, কাজ নয়, "কলকাতা বেড়াতে যাচ্ছি বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল ..", নাজিরাবাদ অগ্নিকাণ্ডের পর নিখোঁজ একাদশ শ্রেণীর ছাত্র তমলুকের দেবাদিত্য !
SIR-এর শুনানিতে ডাক পান রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেন, ISF বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকি। শুনানির নোটিস পেয়েছেন কংগ্রেস নেতা আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়ও। অন্যদিকে আগেই নোটিস পেয়ে শুনানিতে হাজিরা দেন তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ ও মোহনবাগানের সচিব সৃঞ্জয় বসু, তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম।ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। তারপরও অনেককেই শুনতে হচ্ছে কাগজপত্র ঠিক নেই!
কেউ অশক্ত শরীরে হাজিরা দিচ্ছেন। কাউকে অ্যাম্বুল্যান্সে নিয়ে আসতে হচ্ছে। এক কথায় SIR-এর শুনানি নিয়ে হয়রানি, হেনস্থার অভিযোগের শেষ নেই। তবে শুধু সাধারণ মানুষ নয়। শুনানিতে ডাক পড়ছে জন প্রতিনিধি থেকে শুরু করে সমাজের বিশিষ্টজনদেরও। এই আবহেই এবার SIR-এর শুনানিতে, আজ হাজিরা দিলেন সংখ্যালঘু উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী ও মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল বিধায়ক তাজমুল হোসেন।
২৯ জানুয়ারি হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর BDO অফিসে হাজিরা দিতে হবে তাঁকে।নোটিস পেতেই এদিন কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে BDO অফিসের সামনে ধর্নায় বসেন তিনি।হরিশ্চন্দ্রপুর সংখ্যালঘু উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী ও তৃণমূল বিধায়ক তাজমুল হোসেন বলেন, আমার নাম এবং বাবার নাম সঠিক রয়েছে। আমি তিনবারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। তারপরেও বিজেপির চক্রান্তে কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে হয়রানি এবং বিভ্রান্ত সৃষ্টির চেষ্টা করছে। শুধু মন্ত্রী নন, SIR-এর শুনানিতে ডাক পড়েছিল, ভাঙড়ের ISF বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকিরও।
ভাঙড় ISF বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকি বলেন, নোটিস বাড়িতে পৌঁছেছে। আমি এতটুকু আতঙ্কিত নই। হয়তো হয়রানি করা হচ্ছে। এছাড়া আর কিছুই নয়। নির্বাচন কমিশনকে সামনে রাখছে। পিছনে তৃণমূল আর বিজেপি দুজন মিলে বাংলার মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। '২০১৬ ও ২০২১ সালে রাসবিহারী কেন্দ্রে কংগ্রেসের হয়ে বিধানসভা ভোটে লড়েছিলেন আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়। এবার প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সেই আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়কেও SIR-এর হিয়ারিংয়ে ডাকা হয়।
নোটিস আসে তাঁর বাবা-মায়ের কাছেও। প্রদেশ কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক আশুতোষ চট্টোপাধ্যায় বলেন, হয়রানি, হেনস্থা। বিজেপির দলদাস, রাজনৈতিক কারণে ডাকা হয়েছে। আমার বাবা ও মাকেও ডাকা হয়েছে। নোটিসে AERO-র সই নেই। একদিকে যখন তাজমুল হোসেন, নৌশাদ সিদ্দিকি, আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়রা হিয়ারিংয়ের নোটিস পান, তখন অন্যদিকে হাজিরা দেন, তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ ও মোহনবাগানের সচিব সৃঞ্জয় বসু।















