নয়াদিল্লি: মরণোত্তর 'পদ্ম পুরস্কার' পাচ্ছেন অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। তাঁকে 'পদ্ম বিভূষণ' পুরস্কারে সম্মানিত করছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। প্রজাতন্ত্র
দিবসের আগে রবিবার এবারের 'পদ্ম পুরস্কার' বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে একেবারে শীর্ষে নাম রয়েছে ধর্মেন্দ্রর। বিনোদন জগতে যে অসামান্য অবদান, তার জন্যই মরণোত্তর 'পদ্ম বিভূষণ' পাচ্ছেন প্রয়াত অভিনেতা। (Dharmendra Padma Vibhushan)
১৯৬০ সালে, মাত্র ২৪ বছর বয়সে 'দিল ভি তেরা হম ভি' ছবির মাধ্যমে বড়পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন ধর্মেন্দ্র। হিন্দি চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম 'সুপুরুষ' অভিনেতা, বলিউডের 'হি-ম্যান' হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। সুদীর্ঘ কর্মজীবনে একের পর এক সফল ছবি উপহার দিয়েছেন দর্শকে। তবে ধর্মেন্দ্র সকলের নজর কাড়েন 'হকীকত' ছবিতে। (Padma Awards 2026)
এর পর 'অনুপমা', 'মেরা গাওঁ মেরা দেশ', 'সীতা অউর গীতা', 'শোলে', 'লোফার', 'ইয়াদোঁ কি বারাত', 'আঁখে', 'শিকার', 'জীবন মৃত্যু', 'রাজারানি' 'ধরমবীরে'র মতো একের পর এক ছবিতে অভিনয় করে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ছয়ের দশক থেকে আটের দশক পর্যন্ত বলিউডে রীতিমতো রাজত্ব ছিল তাঁর। তাঁর শেষ ছবি 'ইক্কিস', যা অভিনেতার মৃত্যুর পর মুক্তি পেয়েছে।
ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও বরাবর চর্চায় ছিলেন ধর্মেন্দ্র। রাজনীতিতে পা রেখেও প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। কিন্তু মানুষ ধর্মেন্দ্র বাকি সব চরিত্রকে ছাপিয়ে যান। তাঁর সান্নিধ্যে আসা সকলেই সেকথা স্বীকার করে নেন। তাই গত বছর ২৪ নভেম্বর ধর্মেন্দ্র মৃত্যুর খবরে শোকবিহ্বল হয়ে পড়ে গোটা দেশ। ধর্মেন্দ্রর চলে যাওয়া ব্যক্তিগত ক্ষতি বলেও অনুভূত হয় অনেকের।
কোটি কোটি মানুষের মনে পাকা জায়গা করে নিলেও, ব্যক্তিগত জীবনে কোনও রকম আতিশয্য ছিল না ধর্মেন্দ্রর। অভিনয় তাঁকে তারকা করে তুললেও, ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন আর পাঁচ জনের মতোই। এমনকি তাঁর মৃত্যুতেও কোনও রকম আয়োজন চোখে পড়েনি। পরিবার এবং ঘনিষ্ঠদের উপস্থিতিতে দাহ করা হয় অভিনেতাকে। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য হল না কেন, সেই সময় প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। কিন্তু পরিবারের তরফে সেই নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। পরিবারের ইচ্ছেতেই সবকিছু ছিমছাম ভাবে সম্পন্ন হয় বলে জানা যায়।













