নয়াদিল্লি: সাদা বলের ক্রিকেটে ভারতীয় দলের (Indian Cricket Team) অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ তিনি। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাঁর ফর্মের ওপর টিম ইন্ডিয়ার ভাগ্য অনেকটাই
নির্ভরশীল। সেই হার্দিক পাণ্ড্যই (Hardik Pandya) আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এক দশক পূর্ণ করে ফেললেন।
২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এক ওয়ান ডে ম্যাচে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে নিজের অভিষেক ঘটিয়েছিলেন হার্দিক। তারপর অনেক চড়াই উতরাই পার করেছেন তিনি। অলরাউন্ডার হিসাবে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। ইতিমধ্যেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে নিয়েছেন হার্দিক পাণ্ড্য, জিতেছেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও। তবে এটা সবে শুরু বলেই মনে করছেন হার্দিক। পাশাপাশি তাঁর ক্রিকেটীয় সফরের স্মৃতিচারণাও করেন হার্দিক।
এক আবেগঘন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে হার্দিক পাণ্ড্য লেখেন, 'যে বছরে আমার বয়স ৩৩ হচ্ছে, সেই বছরেই এই সফরের ১০ বছর পূরণ হল। আমি যে খেলাটাকে মনেপ্রাণে পছন্দ করি, সেটা খেলা এক বিষয় আর দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করাটা আরেক বিষয়। আমি আপনাদের সকলকে ভালবাসি, সবকিছুর জন্য অনেক ধন্যবাদ..... এই বছরটা আমায় শিখিয়েছে যে এটা তো সবে শুরু। যে পথে আমি এগোতে চাই সেই পথে চলাটা সবে শুরু হয়েছে... আমি এই খেলাটা খেলতে খেলতেই বড় হয়েছি এবং এটা খেলতে খেলতেই বুড়ো হব।'
View this post on Instagram
দিনকয়েক আগেই হার্দিকের জাতীয় দল তথা ফ্র্যাঞ্চাইজ়ির সতীর্থ যশপ্রীত বুমরাও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এক দশক পূরণ করেছেন। তারপরেই কিউয়িদের বিরুদ্ধে সপ্তাহান্তে মাঠে নেমে ম্য়াচ সেরার পুরস্কার পান বুমরা। তিনিও অনেকটা হার্দিকের সুরেই নিজের সফরের স্মৃতিচারণা করেছিলেন। জানিয়েছিলেন কীভাবে সব প্রতিকূলতাকে পিছনে ফেলে তিনি এগিয়ে গিয়েছেন।
গুয়াহাটিতে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বুমরা বলেন, 'অনুভূতিটা দারুণ। আমি তো ছোটবেলায় দেশের হয়ে কোন একদিন একটা ম্যাচই খেলব, সেই স্বপ্ন দেখতাম। সেখানে দশ বছর দেশের হয়ে খেলা যেখানে আমি অলরাউন্ডার নয়, কেবল একজন বোলার, অনেক ব্যথা, বেদনা, অনেকের অনেক মন্তব্য, মতামতের পরেও এগিয়ে যাওয়ার অনুভূতিটা দারুণ। লোকজন তো আমায় দেখে বলেই দিয়েছিলেন যে আমি বেশিদিন খেলতে পারব না। বড়জোড় ছয় মাস সময় দেওয়া হয়েছিল আমায়। তাই এই সফরটা, দেশের হয়ে এতটা দিন খেলা আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের। আশা করছি এই সফরটা এমনভাবেই চলতে থাকবে।'










