বিশাখাপত্তনম: বুধবার, ২৮ জানুয়ারি তিনি যখন ব্যাটে নামেন তখন ভারতীয় দল চার উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল। নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে (IND vs NZ
4th T20I) কাঙ্খিত ২১৬ রানের লক্ষ্যের ধারেকাছেও ছিল না ভারত। কিন্তু তিনি লড়াই চলাতে থাকেন। মাত্র ১৫ বলৈ ব্যক্তিগত অর্ধশতরান পূরণ করেন শিবম দুবে। দুর্ভাগ্যবশত রান আউট হয়ে তাঁকে সাজঘরে ফিরতে হয়। ততক্ষণে তাঁর নামের পাশে লেখা ২৩ বলে ৬৫ রান।
ভারতীয় দল বিশাখাপত্তনমে ম্যাচ না জিতলেও শিবম দুবে সকলকে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করে দেন। এই সাফল্যের জন্য মানসিকতায় বদল এবং নিজের কঠোর পরিশ্রমকেই মূল কারণ হিসাবে জানান দুবে। ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে এসে দুবে জানান, 'আমি প্রচুর খাটা খাটনি করেছি এবং তারই ফল পাচ্ছি। এই ধরনের পরিস্থিতিতে আমি বর্তমানে অনেক ম্যাচই খেলছি, তাই মানসিকভাবেও আরও উন্নত হচ্ছি। বোলাররা এমন পরিস্থিতিতে কী করতে পারে, আমার বিরুদ্ধে কেমন বোলিং করবে, সেই বিষয়ে আমার যথেষ্ট ধারণা রয়েছে।'
তিনি কিউয়িদের বিরুদ্ধে চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মোট সাতটি ছক্কা হাঁকান। এর মধ্যে ইশ সোধির এক ওভারেই তিনটি ছক্কাসহ মোট ২৯ রান সংগ্রহ করেন দুবে। সেই বিষয়ে তাঁর মত, 'স্পিনারকে মারা কঠিন হবে আমি জানতাম এবং ও ভাল বোলিংও করছিল। তবে আমি জানতাম ও খানিকটা ভয় পেলেই কয়েকটা খারাপ বল করতেই পারে। আমি তৈরি ছিলাম। ওই সময়টায় আমি দাপট দেখাতে চেয়েছিলাম এবং সেটা করতে পেরেছি।'
6⃣5⃣ off just 23 deliveries 👌👌
End of a blistering knock from Shivam Dube 👏👏
Updates ▶️ https://t.co/GVkrQKKyd6 #TeamIndia | #INDvNZ | @IDFCFIRSTBank pic.twitter.com/L1FKjze4VI— BCCI (@BCCI) January 28, 2026
হালে শুধু ব্যাটিং নয়, ২০২৪ সালের পর থেকে কিন্তু দুবে বল হাতেও ভারতের হয়ে বেশ ভাল বিকল্প হয়ে উঠেছেন। তিনি ১৬টি ম্যাচে ১৮টি উইকেট নিয়েছেন, ১৮.৭২ গড়ে। নিজের বোলিং নিয়ে দুবের মত, 'আমি গৌতি ভাই এবং সূর্যের সৌজন্যে বেশি বেশি করে বোলিং করছি। ওরাই আমায় বোলিং করার সুযোগ করে দিয়েছেন। বোলিং করলে খানিকটা চতুরতারও প্রয়োজন। সেটার দিকেও আমি নজর দিচ্ছি। বল হাতে আমি আরও দক্ষ হওয়ার চেষ্টা করছি।'














