কলকাতা: কয়লা পাচার মামলার তদন্তে বুদবুদ থানার OC মনোরঞ্জন মণ্ডলকে তলব করল ED। লালা ঘনিষ্ঠ কয়লা ব্যবসায়ী চিন্ময় মণ্ডলকেও তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী
সংস্থা। কয়লা পাচার মামলার তদন্তে পুলিশের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ED। বুদবুদ থানার নতুন OC মনোরঞ্জন মণ্ডলের দুর্গাপুরের বাড়িতে চলে তল্লাশি। পাশাপাশি, কলকাতার কয়লা পাচার মামলায় কলকাতা, দুর্গাপুর, আসানসোল, বর্ধমান, দিল্লি সহ ১০ জায়গায় এক যোগে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
[yt]https://youtu.be/v3XOhxjnKks?si=cDpJe4PL853QpLeO[/yt]
আরও পড়ুন, উচ্চমাধ্যমিকে এবার গার্ড দেবেন 'এঁরা', শিক্ষা সংসদ সূত্রে বড় খবর !
কয়লা পাচার দুর্নীতির পুরো ব্লু প্রিন্ট তাদের হাতে, সম্প্রতি ১০ জায়গায় অভিযানের পর বাজেয়াপ্ত করা নথি ঘেঁটে এমনই দাবি করা হয়েছিল ED সূত্রে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সূত্রে দাবি, কয়লাকাণ্ডে একাধিক প্রভাবশালীর ভূমিকার কথা জানতে পেরেছেন তাঁরা। মঙ্গলবারের অভিযানে ২ জায়গা থেকে উদ্ধার হয়েছে নগদ এক কোটির বেশি।পশ্চিমবঙ্গে কয়লা পাচার দুর্নীতির তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি।কিন্তু, কতদিনে এই চক্রের মাথা অবধি পৌঁছতে পারবে তারা? কলকাতা, দিল্লি সহ ১০ জায়গায় তল্লাশি অভিযানের পর সেই ফের প্রশ্ন সামনে এল।
কলকাতা, দুর্গাপুর, জামুড়িয়া, রানিগঞ্জ, কাঁকসা, পাণ্ডবেশ্বর, কয়লা পাচার মামলার তদন্তে মঙ্গলবার একাধিক ঠিকানায় হানা দেয় ED-র টিম। ED সূত্রে দাবি, ওই তল্লাশি অভিযানে ২টি জায়গা মোট ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।মঙ্গলবার পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়ায় ED-র তল্লাশি চলাকালীন, ব্যবসায়ী অমিত বনশলের বাড়ি থেকে থরে থরে নোটের বান্ডিল উদ্ধারের খবর সামনে আসতে থাকে। টাকা গুনতে আনা হয় ৩-৩টি মেশিন!
ED সূত্রে দাবি, হাওয়ালার কারবারি ওই ব্যবসায়ীর মাধ্যমে কয়লা পাচারের টাকা তছরুপ হয়েছে। অমিত বনশল অ্যাকাউন্ট ভাড়া দিয়ে কালো টাকা হাতবদল করেছেন বলেও ED সূত্রে দাবি। ED সূত্রের খবর, ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। শুধু টাকা নয়। এছাড়া প্রচুর জিডিটাল এভিডেন্স এবং কয়লার যে সিন্ডিকেট কীভাবে চলত, তার যাবতীয় ব্লু প্রিন্ট পাওয়া গেছে। এমনকি ED আধিকারিকরা দাবি করছেন, এমন কিছু ডিজিটাল এভিডেন্স এবং হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট পাওয়া গেছে, যেটা গোটা কয়লা পাচারের যে তদন্ত, তাকে একটা নতুন দিশা দেখাবে।
ED সূত্রে দাবি, তাঁদের মঙ্গলবারের অভিযানে দেড় হাজার পাতার ডকুমেন্ট ও প্রচুর ডিজিটাল নথি উদ্ধার হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ১২টি মোবাইল ফোন।এই সূত্র ধরেই ED-র তরফে দাবি করা হচ্ছে, কয়লা পাচারের যে সিন্ডিকেট চলত, তার পুরো ব্লু প্রিন্ট তাদের হাতে এসেছে। ED সূত্রে দাবি, মাইনিং থেকে ট্রান্সপোর্টেশন, কারা টাকা নিত এবং কোথায় টাকা যেত, যাবতীয় তথ্য পাওয়া গেছে বাজেয়াপ্ত মোবাইল ফোনে। একাধিক চ্যাট হিস্ট্রিতে এই সংক্রান্ত তথ্য মিলেছে।এই পুরো চক্রে একাধিক পুলিশ কর্তা ও প্রভাবশালীর ভূমিকা রয়েছে বলে ED সূত্রে দাবি।











