নয়াদিল্লি: নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) ভারতে দল পাঠাতে রাজি হয়নি বাংলাদেশ সরকার। এ দেশে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের
ম্য়াচ খেলতে রাজি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপই খেলা হচ্ছে না টাইগারদের। কিন্তু ক্রিকেট খেলার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ইস্যু হলেও অন্য খেলার ক্ষেত্রে ভারতে দল পাঠাতে রাজি বাংলাদেশ সরকার। এশিয়ান রাইফেল ও পিস্তল চ্যাম্পিয়নশিপ হতে চলেছে ভারতের মাটিতে। সেই টুর্নামেন্ট খেলার জন্য ভারতে দল পাঠাতে রাজি সে দেশের সরকার। অর্থাৎ এখানেই দ্বিচারিতার ছবিটি ফুটে উঠেছে পরিষ্কারভাবে।
আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ডক্টর কর্নি সিংহ রেঞ্জে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে এশিয়ান রাইফেল ও পিস্তল চ্যাম্পিয়নশিপ। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই টুর্নামেন্ট। ১৭টি দেশের মোট ৩০০ শ্যুটার চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেবেন। বাংলাদেশের ২ জন রাইফেল শ্যুটার রয়েছেন, যাঁরা তিনটি ইভেন্টে মোট অংশ নেবেন।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মত বড় টুর্নামেন্ট যেভাবে বাংলাদেশ বয়কট করেছিল, তার পর মনে করা হচ্ছিল যে শ্যুটিং দলও হয়ত নাম তুলে নেবে নিরাপত্তার ইস্যু দেখিয়ে। কিন্তু ন্যাশনাল রাইফেল অ্য়াসোসিয়েশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পরশি দেশ থেকে শ্যুটিংয়ের দল আসছে। বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন ২১ বছর বয়সি মহিলা শ্যুটার আরফিন শাহিরা ও ২৬ বছর বয়সি অলিম্পিয়ান মহম্মদ রবিউল ইসলাম। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ সরকার ভাবনা যেহেতু এই চ্যাম্পিয়নশিপটি ইন্ডোর গেমস মূলত, তাই এখানে নিরাপত্তা নিয়ে কোনও ইস্যু নেই।
বাংলাদেশে ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলার বিষয়ে পাকিস্তান মূলত উস্কানি দিয়েছিল। পাকিস্তান নিজেরা বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করে দিলেও, পিসিবি প্রধান মহসিন নকভি ওই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ় শরিফের সঙ্গে প্রায় আধ ঘণ্টা বৈঠক সারেন। সেই বৈঠকে পাকিস্তানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের না না বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের জন্য তা ভালো একটি খবর হতে পারে। শোনা যাচ্ছে পাকিস্তান যদি এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেললে সেক্ষেত্রে পরবর্তী সেরা ক্রমতালিকার দল অনুযায়ী উগান্ডা বিশ্বকাপে সুযোগ পাবে। তবে রিপোর্ট অনুযায়ী পাকিস্তান বিশ্বকাপে না খেললে তাদের পরিবর্তে বাংলাদেশ সুযোগ পেতে পারে। পাকিস্তানের জায়গায় সেই গ্রুপেই বাংলাদেশকে রাখা হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের যা দাবি ছিল, সেইসব দাবি কিন্তু মানা সম্ভবপর হয়ে যাবে।










