What is the story about?
নয়া দিল্লি: অফিসার নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ তুলেছিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্য পর্যাপ্ত অফিসার দিচ্ছে না বলে অভিযোগ ওঠে। সোমবারের শুনানির আগেই রবিবারই অফিসার নিয়োগের কথা জানিয়ে কমিশনকে চিঠি দেয় রাজ্য সরকার। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সওয়াল করার এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলে একটি মামলা হয়। সোমবার সেই সব মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে।
- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা। সোমবার সেই মামলা উঠলে সনাতনী সংগঠনের মামলার বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তোলে সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্ন, 'এমন একটি সংগঠন যারা মন্দিরের দেখাশোনা করে। এদের সঙ্গে নির্বাচনের কী সম্পর্ক?' শুরুতেই একসঙ্গে অনেকে কথা বলায় ক্ষুব্ধ হন প্রধান বিচারপতি।
- এদিন রাজ্যের তরফে সওয়াল করেন আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান। পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি জানান, আনম্যাপড ভোটারের সংখ্যা ৩২ লক্ষ। বাকি সবাইকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জন্য ডাকা হয়েছে। ১.৩৬ কোটি লোককে নোটিস দেওয়া হয়েছে। বানান ভুলের কারণে ৫০ শতাংশকে তলব করা হচ্ছে।
- রাজ্যের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে প্রশ্ন শীর্ষ আদালতেরকমিশনের দাবি, অফিসার চেয়ে রাজ্যকে ৫টি চিঠি লেখা হয়েছে। অন্যদিকে, রাজ্যের বক্তব্য, অফিসার চাওয়ার কথা তারা আদালতে এসেই জানতে পেরেছে। এদিন রাজ্য সরকারের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তিনি জানতে চান, ৮৫০৫ জন আগামিকাল (মঙ্গলবার) ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসারের কাছে গিয়ে রিপোর্ট করতে পারবেন কি না।এদের নামের তালিকা কমিশনকে দেওয়া হয়েছে কি না, সেটাও জানতে চান তিনি। জিজ্ঞেস করলেন। কমিশনের আইনজীবী জানালেন যে তাঁরা কোনও নামের তালিকা পাননি। এ কথা শুনে প্রধান বিচারপতি বলেন, শুধু সংখ্যা পাঠালে হবে না। অফিসারের নাম ডেজিগনেশন সহ সমস্ত তথ্য দিতে হবে। তবে তাদের ডেপুটেশনে নেওয়া সম্ভব হবে।
- ৪ বা ৫ তারিখ কেন তালিকা দেওয়া হল না?প্রধান বিচারপতি এদিন রাজ্যকে বলেন, "আমরা ৪ তারিখ নামের তালিকা দিতে বলেছি। ৭ তারিখ নাম দেওয়া হয়েছে। ৪ বা ৫ তারিখ নাম দেওয়া যেত। আমরা এই বিষয় নিয়ে বিতর্ক চাই না। বিতর্ক হলে আমাদের মুখ্য সচিবকে নির্দেশ দিতে হবে।" রাজ্য জানিয়েছে, তালিকা তৈরি করতে একটু সময় লেগেছে। কোথায় কত আধিকারিক প্রয়োজন জানতে চাওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে রাজ্য।
- রাজ্য সরকারের তরফে কী কী করা হয়েছে, তা তুলে ধরেছেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। আইনজীবীর দাবি, রাজসাহিত্য সংস্থা থেকে কর্মীদের এনে মাইক্রো অবজার্ভার করা হয়েছে, যাদের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর আরও দাবি, কমিশন কখনও বলেনি যে তাদের গ্রুপ-বি আধিকারিক দরকার।
- কমিশনের তরফে অভিযোগ, পাঁচটি চিঠি লেখা হয়েছে কমিশনের তরফে। SDM, SDO র্যাঙ্ক অফিসার আমরা চাওয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি জানতে চান, AERO রা রাজ্য সরকারের আধিকারিক কি না। কমিশনের আইনজীবী অভিযোগ করেন, AERO-রা পদাধিকার অনুযায়ী মাইক্রো অবজার্ভারদের নীচে। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী জানতে চান, ইআরও-রা গ্রুপ এ নাকি গ্রুপ সি? এই প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন, 'খুব দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি।'














