What is the story about?
নয়াদিল্লি: সহস্র বছর ধরে সামাজিক মর্যাদায় এগিয়ে। শিক্ষার নিরিখে এগিয়ে। এককালে ব্রাহ্মণের অর্থ ছিল ব্রহ্ম জ্ঞান অর্জনকারী। সময় বদলেছে, বদলেছে সংজ্ঞা। উচ্চবর্ণের জাতি থেকে গণতান্ত্রিক পরিচয় পেয়ে ব্রাহ্মণ হয়েছে আর পাঁচ জন নাগরিকের মতোই। অতীত উচ্চবর্ণের, তাই বর্তমান হয়েছে অসংরক্ষিত। সেই ব্রাহ্মণ জাতি কি এবার পেতে পারে সংখ্য়ালঘুর তকমা?
যেমন-তেমন সংখ্যালঘু নয়! রাজনৈতিক ভাবে সংখ্য়ালঘু। এবার সেটাই খতিয়ে দেখবে দেশের শীর্ষ আদালত। পঞ্চায়েত এবং পুরসভা স্তরে ব্রাহ্মণ এবং উচ্চবর্ণদের প্রতিনিধিত্ব দৃশ্য়ত কমছে। এই অবস্থায় পঞ্চায়েত এবং পুরসভা 'রাজনৈতিক অনগ্রসর শ্রেণি' কারা, তা বিবেচনা করে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। সম্প্রতি 'ইউথ ফর ইক্য়ুয়ালিটি ফাইন্ডেশন' নামে এক সংস্থা এই মামলা দায়ের করে। মহারাষ্ট্রের আঞ্চলিক নির্বাচনকে আধার করেই আদালতের কাছে তথ্য প্রদান করে তারা। সেই ভিত্তিতেই এই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে চাইছে সুপ্রিম কোর্ট। অতীতে মহারাষ্ট্রে পুরসভা এবং পঞ্চায়েত নির্বাচনের আসন সংরক্ষণ সংক্রান্ত মামলায় একটি কমিটি গড়ে দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। অবসরপ্রাপ্ত আমলা জয়ন্তকুমার বান্থিয়ার নেতৃত্বে গঠিত ওই কমিটি ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে বেশ কিছু সুপারিশ করেছিল। যা গ্রহণ করেছিল দেশের শীর্ষ আদালত। এখন সেই বান্থিয়া কমিটির সুপারিশগুলিকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হয়েছে মামলা।
এই প্রসঙ্গে ২০১০ সালের একটি মামলার কথা তুলে ধরা হয়েছে এখনকার দায়ের করা মামলাটিতে। কৃষ্ণামূর্তি বনাম কেন্দ্রীয় সরকারের
ওই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছিল, "সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ভাবে অনগ্রসর হওয়া মানেই রাজনৈতিক ভাবে অনগ্রসর হয়ে যাওয়া নয়।" মামলাকারীদের যুক্তিও এক, কেউ ওবিসি তালিকাভুক্ত হওয়া মানেই তিনি রাজনৈতিক ভাবে অনগ্রসর নন। এ অবস্থায়, 'রাজনৈতিক অনগ্রসর শ্রেণি' কারা, তা খতিয়ে দেখতে নতুন কমিটি তৈরির আর্জি জানিয়েছেন মামলাকারীরা।














