What is the story about?
একাধিক চুক্তি ও শুল্কের পর ধীরে ধীরে ভারতের আগামীর অর্থনৈতিক রূপরেখা যখন স্পষ্ট হচ্ছে সেই সময় দেশের একাধিক সেক্টর চেয়ে রয়েছে আসন্ন কেন্দ্রীয় বাজেটের দিকে। এর মধ্যে রয়েছে ভারতের ফার্মা ইন্ডাস্ট্রিও। এই ইন্ডাস্ত্রি চাইছে কর কাঠামোর সংস্কার, নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়ার সরলীকরণ, দ্রুত অনুমোদন ও একাধিক ইনসেন্টিভের মাধ্যমে গোটা বিশ্বের বাজারে ভারতীয় ওষুধের একটা শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করা। প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেনটিভ বা পিএলআই প্রকল্প জেনেরিক ওষুধের ক্ষেত্রে সাফল্য নিয়ে এলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন এখন সময় এসেছে এর আওতা বৃদ্ধির। বায়োসিমিলার, পেপটাইড, বায়োলজিক্স, সেল ও জিন থেরাপির মতো আগামীর বিভিন্ন চিকিৎসা প্রযুক্তি এর অধীনে নিয়ে না এলে এই সেক্টরের বৃদ্ধি আগামীতে থমকে যেতে পারে,শঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা। উৎপাদন আরও ভাল করতে বিশেষ ইনসেনটিভ যদি ঘোষণা করা হয়, তাহলে এই সেক্টরে ব্যক্তিগত বিনিয়োগও বৃদ্ধি পাবে, আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা। আর তার ফলেই ভারত পরিণত হবে গোটা বিশ্বের ফার্মা হাবে। কর ব্যবস্থাতেও পরিবর্তনের জোরাল দাবি উঠছে। বর্তমানে নতুন উৎপাদনকারী সংস্থার জন্য করের হার ১৫ শতাংশ থাকলেও একাধিক নতুন সংস্থা এখনও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এর ফলেই, উৎপাদন শুরু করার সময়সীমা বৃদ্ধি ও নয়া সংস্থাকে ছাড়ের আওতায় নিয়ে আসার দাবিও জোরাল হচ্ছে। আর এর ধরনের ছাড় সব সংস্থা পেলে তার সর্বাগ্রে ছাপ পড়বে ভারতের সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় ওষুধে। দাম কমতে পারে একাধিক জীবনদায়ী ওষুধের। নতুন কিছু তৈরিতে বা গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে ও এই ক্ষেত্রে আগের মতো কর ছাড় ফিরিয়ে নিয়ে আসতে বড় একটা তহবিল গঠনেরও প্রস্তাব রয়েছে। এ ছাড়াও এই সেক্টরের জন্য যে কোনও আবেদনের একদিনে ক্লিয়ারেন্স, কেন্দ্রীয় ড্রাগ স্টান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন বা CDSCO অনুমোদন ও বিভিন্ন রাজ্যের জন্য প্রয়োজনীয় আলাদা আলাদা লাইসেন্সের জট না খুললে এই সেক্টরের স্টার্ট আপ ও নতুন বিনিয়োগ ঝুঁকির মুখে পড়বে। সংক্ষেপে এবারের বাজেট যদি কর, নিয়ন্ত্রণ ও পুঁজি; এই সব ক্ষেত্রে সাহসী সংস্কার নিয়ে আসতে না পারে তাহলে আগামীতে ভারতের ফার্মা সেক্টর নিয়ে কিছুটা চিন্তা থাকবেই। ফলে, বাজেটে কী হয় সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে গোটা এই সেক্টরটা।












