বিশাখাপত্তনম: গৌতম গম্ভীর (Gautam Gambhir) কোচ হওয়ার পরে ভারতীয় ক্রিকেট দলের সঙ্গে এমন কিছু ঘটেছে, যা আগে কখনও হয়নি। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে টেস্টে হোয়াইটওয়াশ, দেশের মাটিতে টেস্টে সর্বনিম্ন
স্কোর (৪৬), টেস্টে সবচেয়ে বড় হার (৪০৮ রান), ২৭ বছরে প্রথমবার শ্রীলঙ্কার কাছে ওয়ান ডে সিরিজে হার...। যদিও গম্ভীরের কোচিংয়ে ভারত অনেক ইতিহাসও গড়েছে, এশিয়া কাপ এবং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির খেতাবও জিতেছে।
তবে সমালোচকরা প্রত্যেক হারের পরে গম্ভীরকে নিশানা করেছেন। অনেকেই তাঁকে কোচের পদ থেকে সরানোর দাবি জানিয়েছেন। বলেছেন যে, টেস্টে অন্য কাউকে কোচ করা উচিত। শোনা যাচ্ছিল যে, টি-২০ বিশ্বকাপের পরে গম্ভীরের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া এই খবর সম্পূর্ণভাবে খারিজ করেছেন।
একটি সাক্ষাৎকারে দেবজিৎ সাইকিয়া গৌতম গম্ভীরের সমালোচনার শিকার হওয়া প্রসঙ্গে বলেন যে, ক্রিকেটপ্রেমীদের নিজস্ব মতামত রাখার পূর্ণ অধিকার আছে। তবে বিসিসিআই-এর কাছে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য যোগ্য লোক রয়েছে। তিনি বলেন, "১৪০ কোটি মানুষের এই দেশে, সবাই নিজেকে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ মনে করে। সবার নিজস্ব মতামত থাকবে। এটা একটা গণতান্ত্রিক দেশ, যেখানে কাউকে চুপ করানো যায় না। মিডিয়া সহ সবাই তাদের মতামত দেওয়ার জন্য স্বাধীন। প্রাক্তন ক্রিকেটার থেকে সোশ্যাল মিডিয়া পর্যন্ত, সর্বত্র জল্পনা চলছে।"
বিসিসিআই সচিব আরও বলেন, "সত্যি কথা বলতে গেলে, বোর্ডের একটি ডেডিকেটেড ক্রিকেট কমিটি রয়েছে, যেখানে প্রাক্তন ক্রিকেটাররা অন্তর্ভুক্ত। তারাই সিদ্ধান্ত নেয়। নির্বাচনের জন্য আমাদের ৫ জন নির্বাচক রয়েছেন, যারা এর যোগ্য। কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এই কমিটি এবং নির্বাচকরাই নেন।"
একটি সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারি গৌতম গম্ভীরের কোচিং ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে, যদি ভারতীয় দল ২০২৬ সালে টি-২০ বিশ্বকাপ জিততে না পারে, তাহলে বোর্ডকে কোচের অপসারণের মতো বড় এবং কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
টি-২০ বিশ্বকাপের আসর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে। যে টুর্নামেন্টের আয়োজন এবার ভারত এবং শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে করছে। মোট ২০টি দল এতে অংশ নিচ্ছে, যাদের ৫টি করে ৪টি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে।














