What is the story about?
কলকাতা: চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুখবর দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তৃণমূল জমানায় নিয়োগ নিয়ে ভূরি ভূরি অভিযোগ উঠেছে। অনেক শূন্যপদে নিয়োগ হয়নি। তেমনই পঞ্চায়েতে ফাঁকা পড়ে রয়েছে বহু পদ। যার জেরে পঞ্চায়েতের কাজ ব্যাহত হচ্ছে।
পঞ্চায়েতের কাজে গতি আনতে এবার ১১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে বলে জানালেন দিলীপ। শুধু তাই নয়, আগে পঞ্চায়েতে নিয়োগ হত জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে। এবার তা পিএসসি-র মাধ্যমে নিয়োগ হবে। কী বললেন দিলীপ ঘোষ? পঞ্চায়েতে কর্মী নিয়োগে প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়ে দিলীপ বলেন, "কর্মীর অভাবে পঞ্চায়েতে কাজ করা যাচ্ছে না। তাই পিএসসি-র মাধ্যমে পঞ্চায়েতে ১১ হাজার লোক নেওয়া হবে। এতদিন পর্যন্ত জেলাস্তর থেকে নিয়োগ হত। কিন্তু রাজ্যের নতুন সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয়ভাবে এই নিয়োগ হবে পিএসসির মাধ্যমে।" পিএসসি-র মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য আইন সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে জানিয়ে দিলীপ বলেন, "আগে পঞ্চায়েত আইনের মাধ্যমে নিয়োগ হত। তাই নিয়োগের আগে আইনের সংশোধন করতে হবে। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এক লক্ষ কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এই আইন সংশোধন হলে শুধু পঞ্চায়েত দফতর থেকে নিয়োগ হবে ১১ হাজার।"
রাজ্যে পালাবদলের পর বেশিরভাগ পঞ্চায়েতে কাজ থমকে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে। বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল শাসিত পঞ্চায়েতের প্রধানরা বেপাত্তা। এদিন বিধানসভায় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের বাজেট বক্তৃতার জবাবি ভাষণে সেই প্রসঙ্গও তোলেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
তিনি বলেন, "প্রধানদের বলেছি, পরিষেবা দিতে হবে, না হলে পদত্যাগ করতে হবে। মাঝামাঝি কিছু নেই।" বিধানসভাতে হুঁশিয়ারির সুরে মন্ত্রী বলেন, "পুলিশ দিয়ে কোমরে দড়ি বেঁধে এনে সই করাব। ভাতা নেবেন, সব সুযোগ সুবিধা নেবেন আর সই করবেন না। মামা বাড়ি নাকি।" পঞ্চায়েতের কাজ সুষ্ঠুভাবে চালানোর জন্য আর্থিক ক্ষমতা আধিকারিকদের হাতে দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করে বিধানসভায় দিলীপ বলেন, "দেশের মধ্যে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গ, যেখানে প্রধানদের আর্থিক ক্ষমতা দেওয়া আছে। তাই এই নিয়ে এত হিংসা। প্রধানদের হাত থেকে এই ক্ষমতা কেড়ে নেব। বিল আনব। এই সপ্তাহে আনব বিল।"















