What is the story about?
নয়াদিল্লি: মধ্যবিত্তের পকেট হালকা করে দিতে সক্ষম সোনা। গত কয়েক মাসে যে গতি মানুষ দেখেছে, তা নাকি শেষবার দেখা গিয়েছিল সেই ১৯৭৯ সালে। তারপর গতবছর। অবশ্য নতুন বছরের শুরুতেই সোনার দাম ছুয়ে গিয়েছে দেড় লক্ষের গন্ডি।
তারপর সোনা খানিকটা ঝিমিয়ে পড়ে, কিন্তু থামে না। কয়েকদিন পরেই দিল্লিতে পেশ হবে কেন্দ্রীয় বাজেট। এই আবহে সোনার আগুন গতিতে কি সামান্য় হলেও রাশ টানতে পারবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন? এই ধাতুর দাম নিয়ে যে ডামাডোল তৈরি হয়েছে, তা কি তিনি কিছুটা হলেও প্রশমিত করতে পারবেন?
শুল্ক কমিয়ে দেওয়া হয়েছে তো কি হয়েছে! সোনার আগুনখেকো রূপ, তাঁদের হাতে তুলে দিচ্ছে বাড়তি আয়। তৈরি হয়েছে ভারসাম্য।
তাই সেই পরিস্থিতিকে সামাল দিতে দাবি উঠেছে সোনায় চাপানোর শুল্কের পরিমাণ কমানোর। ছয় থেকে তিন শতাংশে শুল্ক নামানোর দাবি তুলেছেন স্বর্ণকার ও সোনার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা। কিন্তু এই আর্তি কি নয়াদিল্লি শুনতে পাবে? বরাবরই দেখা গিয়েছে, সোনায় চাপানো শুল্ক বা কাস্টমস ডিউটি কমলে বৃদ্ধি পায় চাহিদা। ২০২৪ সালে শুল্কের পরিমাণ কমায় বেড়েছিল সোনার কেনার হিড়িক। পাশাপাশি, দামও কমেছিল এই ধাতুর। সেই সময় সোনার বাঁটের দামে ৫ শতাংশ পতন দেখা গিয়েছিল এবং গহনার দামে ১০ শতাংশ পতন দেখা গিয়েছিল। কিন্তু সোনার দাম যখন তুঙ্গে, সেই সময় পুরনো ট্রেন্ড কি ফিরিয়ে আনবে নয়াদিল্লি? কমানো হবে শুল্কের পরিমাণ? একাংশের মতে, চলতি বছরের বাজেটে শুল্কের দাম নিয়ে কোনও বড় পদক্ষেপ গ্রহণের মতো ঘটনা না ঘটার সম্ভবনাই বেশি।














