What is the story about?
নয়া দিল্লি:
লজিক্য়াল ডিসক্রিপেন্সিতে পদবি বদলের গোলযোগ নিয়ে মামলা দায়ের হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। মঙ্গলবার ছিল সেই শুনানি। জানা যাচ্ছে, সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে সংশ্লিষ্ট মামলাটি দায়ের করেছিলেন কবি জয় গোস্বামী। বস্তুত, এতদিন পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে সরব হচ্ছিলেন। আর এবার দেখা গেল খোদ কবি সরব হলেন। তবে কি এসআইআর ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে এবার দাঁড়াচ্ছেন বুদ্ধিজীবীর একাংশ। জানা গিয়েছে, নির্বাচন কমিশন এবার যে খসড়া তালিকা বের করেছে সেখানে জয় গোস্বামীর নাম আছে। একা কবি নন, তাঁর মেয়েরও নাম ছিল। ২০০২ সালের যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, সেই তালিকায় কোনও অসঙ্গতি রয়ছে। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে তাঁকে শুনানির জন্য বলা হয়েছিল। ২রা জানুয়ারি তিনি কাগজও দেখিয়েছেন। জয় গোস্বামীকে শুনানিতে ডাকা নিয়ে সরব হয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও। তিনি বলেছিলেন, "আমার মনে হয় বেঁচে থাকলে রবীন্দ্রনাথকেও ওরা SIR-এর লাইনে দাঁড় করাত।" এ দিন, শুনানির সময় বিরক্ত বোধ করেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ,"রোজ নতুন করে আইএ ফাইল হচ্ছ, আসলে গোটা প্রক্রিয়াটাকে আটকে দেওয়ার চেষ্টা।" এ দিন আইনজীবী উল্লেখ করেন, "লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সি নিয়ে সমস্যা এখনও মেটেনি। কারণ বাংলায় পদবীর তফাতে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। যেমন- মুখার্জী ও মুখোপাধ্যায়। আধারও গ্রহণ করা হচ্ছে না।" বাংলার এসআইআর (SIR) নিয়ে দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়েছেন আইনজীবী। প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ পূর্বনির্ধারিত তারিখেই হবে বাংলার এসআইআর মামলার শুনানি।











