নিউ জার্সি: পরিবর্ত হিসাবে মাঠে নেমে তিনিই ফাইনালের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন। আর্জেন্তিনার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সময়ে গোল করে। তার আগে পর্যন্ত বারবার আর্জেন্তিনার গোলমুখে গিয়ে আটকে যাচ্ছিল স্পেন। সেই বাঁধ ভেঙে
যায় ফেরান তোরেসের গোলে। ১৬ বছর পর ফের বিশ্বকাপ জেতে স্পেন। দ্বিতীয়বারের জন্য।
স্পেনের ফেরান তোরেস এই মুহূর্তে ফুটবল বিশ্বের শিরোনামে। তিনি ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্তিনার বিরুদ্ধে জয়সূচক গোলটি করেন। এটি ছিল ফাইনালের একমাত্র গোল, যা অতিরিক্ত সময়ে হয়েছিল। তোরেস ৬২তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন, যিনি নামার সঙ্গে সঙ্গেই খেলার গতি বাড়িয়ে দেন এবং উদ্যমী ভঙ্গিতে খেলতে দেখা যায়। গোল করার আগে তিনি ম্যাচের নির্ধারিত সময়ে আরও একটি দুর্দান্ত প্রচেষ্টা করেছিলেন।
অনেকেই জানেন না যে, ফাইনালের নায়কের রয়েছে ভারতের সঙ্গে সংযোগ। কীভাবে?
খুব কম লোকই জানেন যে ফেরান তোরেস বিশ্ব ফুটবলে প্রথম পরিচিতি পেয়েছিলেন ভারতের মাটিতে খেলেই। প্রায় ৯ বছর আগে তিনি ভারতে এসেছিলেন, তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর। ভারতে আয়োজিত ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ ২০১৭-তে তিনি স্পেন দলের সঙ্গে এসেছিলেন, যেখানে তাঁর দল রুপোর পদক জিতেছিল। তখন তোরেসেের নাম এত পরিচিত ছিল না, কিন্তু তাঁর দেশে তিনি খুব পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন। ফেরান সেই বিশ্বকাপে ২টি গোল করেছিলেন এবং ২টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন।
ফেরান তোরেস তাঁর কেরিয়ারের প্রথম সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট (অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ) ভারতে খেলেছিলেন। তিনি কোচির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়াম এবং কলকাতার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে খেলেছিলেন। কানা কানায় উপচে পড়া স্টেডিয়ামে খেলেছিলেন তিনি, যা তাঁর জন্য সেরা স্মৃতিগুলির মধ্যে একটি।
আরও পড়ুন: যেদিন থেকে ক্রিকেট খেলা শুরু করেছি... ঐতিহাসিক সেঞ্চুরির পর কাদের নিশানা করলেন রোহিত শর্মা?
স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ী দলে থাকা এরিক গার্সিয়াও সেই দলের অংশ ছিলেন, যাঁরা ২০১৭ সালে অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে এসেছিলেন। এরিক আর্জেন্তিনার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ ফাইনালে ২১ মিনিট খেলেছিলেন।
Ferran Torres wins the world cup for Spain 1-0 🇪🇸 pic.twitter.com/OY5G7w9dCj
— Crazy Clips (@crazyclipsonly) July 19, 2026
আর্জেন্তিনার বিরুদ্ধে ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে লামিন ইয়ামাল ডি বক্সের বাইরেই পোরোকে পাস দেন, তিনি বাইরে থেকেই গোলপোস্টে বলটি পাঠান। মিকেল মোরিনোকে ৩ জন খেলোয়াড় মার্ক করেছিলেন, যখন তোরেস সম্পূর্ণ একা ছিলেন। নিকোলাস উইলিয়ামস হেড দিয়ে বল দেন তোরেসকে। দুর্দান্ত গোল করেন তিনি।








