নিউ জার্সি: আট ম্যাচে আট গোল, সঙ্গে চারটি গোলে সহায়তা। দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন অপরাজিত রেখে। ফাইনালে স্বপ্নভঙ্গ হলেও সকলে ধরেই নিয়েছিলেন গোল্ডেন বল পাবেন লিওনেল মেসি (Lionel Messi)। ২০১৪ সালের পর ফের বিশ্বকাপ
ফাইনালে হেরে গিয়েও টুর্নামেন্টের সেরা ফুটবলারকে যে পুরস্কার দেওয়া হয়, সেই গোল্ডেন বলের মালিক হবেন মেসি।
কিন্তু আর্জেন্তিনা বনাম স্পেন (Argentina vs Spain) বিশ্বকাপ ফাইনালের পর সকলকে চমকে দিয়ে টুর্নামেন্টের সেরা প্লেয়ার বেছে নেওয়া হল স্পেনের অধিনায়ক রদ্রিকে। যিনি না করেছেন কোনও গোল, না করেছেন কোনও গোলে সহায়তা। তারপর থেকেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। কেন মেসিকে উপেক্ষা করে রদ্রিকে বেছে নেওয়া হল? মেসি কি বঞ্চনার শিকার হলেন? ফাইনালে পরাজিত দলের ফুটবলাররাও টুর্নামেন্টে সেরার স্বীকৃতি পান, যার নজির ২০১৪ সালে স্বয়ং মেসিই।
৩৯ বছরের তারকা বিশ্বকাপের শুরু থেকে ছিলেন দুরন্ত ছন্দে। একটা সময় মনে হচ্ছিল বিশ্বকাপে অধরা গোল্ডেন বুটও পেয়ে যাবেন মেসি। যদিও শেষ পর্যন্ত তিনি ৮ গোল করে থেমে যান। ১০ গোল করেন কিলিয়ান এমবাপে। ফাইনালে হেরে চোখের জলে বিশ্বকাপকে বিদায় জানালেন মেসি।
কিন্তু কেন মেসিকে গোল্ডেন বল দেওয়া হল না? কেন বেছে নেওয়া হল রদ্রিকে?
স্পেনের রদ্রি কোনও গোল না করলেও কিংবা গোলে সহায়তা না করলেও বিশ্বকাপে মোট ৭৫৩টি পাস খেলেছেন। যার মধ্যে ৯৪ শতাংশ ছিল নিখুঁত পাস। স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের রাস্তা তৈরি করে দিয়েছিলেন অধিনায়কই।
রবিবারের আদে পর্যন্ত বিশ্বকাপ স্বপ্নের মতো কেটেছে মেসির। ২১টি গোল করেছেন বিশ্বকাপ কেরিয়ারে। তাঁর চেয়ে একটিমাত্র গোল বেশি করে বিশ্বরেকর্ড কিলিয়ান এমবাপের। মেসি ছাড়া এতগুলি গোল ও সহায়তা করার নজির রয়েছে একমাত্র এমবাপের। যিনি ১০ গোল করেছেন ও ৪টি গোলে সহায়তা করেছেন। তাঁকে পেরিয়ে যাওয়ারপ হাতছানি ছিল মেসির সামনে। কিন্তু স্পেনের বিরুদ্ধে ম্যাচে প্রথমার্ধে মাত্র ১৫ বার বল ধরেন মেসি। সব মিলিয়ে ম্যাচে ৫৪ বার।
তবু তাঁর ভক্তরা মনে করেছিলেন ২০১৪ ও ২০২২ সালের পর ফের গোল্ডেন বল পাবেন মেসি । যদিও সেই আশা পূরণ হয়নি মেসি-ভক্তদের ।
আরও পড়ুন; ভীষণ যন্ত্রণাদায়ক, ফাইনালে পরাজয়ের পর প্রথম প্রতিক্রিয়া মেসির, জাতীয় দলে ভবিষ্যৎ কী?










