নিউ ইয়র্ক: কেরিয়ারে রয়েছে একটি বিশ্বকাপ (FIFA World Cup), কোপা আমেরিকা, ব্যঁল ডি অর সহ আরও অনেক অজস্র মাধুরী। কিন্তু এখনও পর্যন্ত লিওনেল মেসি (Lionel Messi) জিততে পারেননি কোনওদিনও বিশ্বকাপের মঞ্চে গোল্ডেন
বুট। হ্যাঁ, কেরিয়ারে ছয় নম্বর বিশ্বকাপ খেলছেন। আজ হয়ত নিজের কেরিয়ারের শেষ বিশ্বকাপের ফাইনালেও খেলে ফেলবেন। দ্বিতীয়বার সুযোগ রয়েছেন বিশ্বজয়ের। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের পর এই ফাইনালেও আর্জেন্তিনাই অন্য়তম ফেভারিট। কিন্তু গোল্ডেন বুট? তা কি এবারও হাতছাড়া হবে মেসির? কী বলছে ছবিটা?
৩৯ বছর বয়সেও যে খেলাটি খেলছেন মেসি, তা এক কথায় অবিশ্বাস্য। চলতি টুর্নামেন্টে এখনও পর্যন্ত আটটি গোল ও চারটি অ্য়াসিস্ট করেছেন আর্জেন্তাইন সুপারস্টার। আলজিরিয়ার বিরুদ্ধে উদ্বোধনী ম্যাচে হ্যাটট্রিক থেকে শুরু করে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে দুটো অ্যাসিস্ট, মেসিকে থামানোই যায়নি। শনিবার পর্যন্ত গোল্ডেন বুট জেতার দৌড়ে শীর্ষে ছিলেন মেসি। কিন্তু ইংল্যান্ড বনাম ফ্রান্স তৃতীয় স্থান অধিকারের ম্য়াচে কিলিয়ান এমবাপে দুটো গোল করে ও একটি অ্য়াসিস্ট করে মেসির লড়াইটা একটু কঠিন করে দিয়েছেন।
তৃতীয় স্থানাধিকারী ম্য়াচে ইংল্য়ান্ড বনাম ফ্রান্স ম্য়াচটি ১০ গোলের খেলা হয়। শেষ পর্যন্ত থ্রি লায়ন্সরা ৬-৪ ব্যবধানে হারিয়ে দেয় ফরাসি ব্রিগেডকে। এই মুহূর্তে চলতি বিশ্বকাপে এমবাপে ও মেসি দু'জনেরই অ্য়াসিস্টের সংখ্য়া ৪। তবে গোলের নিরিখে এগিয়ে রয়েছেন ফরাসি তারকা। সেই সঙ্গে ২২ গোল করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতাও এখন এমবাপেই।
এবার মেসি যদি ফাইনালে দুটো গোল করেন কিন্তু কোনও অ্যাসিস্ট না করেন, তাহলে হয়ত মেসিই জিতবেন গোল্ডেন বুট। কারণ ফিফার নিয়ম অনুযায়ী দু'জনের পরিসংখ্যানের দিকে থেকে যদি একই থাকে, তাহলে কত কম সময়ে কে গোল করেছেন বেশি, তা দেখা হয়। সেক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত চলতি টুর্নামেন্টে এমবাপে খেলেছেন ৭৬৯ মিনিট। অন্য়দিকে, মেসি ফাইনালের আগে খেলে ফেলেছেন ৭২১ মিনিট। ফাইনালে পুরো সময় মেসি খেললে, তাঁর খেলার সময় এমবাপের থেকে বেশি হবেই। তাই গোল্ডেন বুট তখন অনায়াসেই এমবাপে জিতে যাবেন।
এই পরিস্থিতিতে মেসির জন্য সবচেয়ে পরিষ্কার রাস্তা হবে নিজে ২ গোল করা ও একটি অন্তত অ্য়াসিস্ট করা গোলের ক্ষেত্রে। কিন্তু সেটি তখনই সম্ভব হবে, যখন আর্জেন্তিনা ম্য়াচে আধিপত্য রেখে খেলে তিন বা তার বেশি গোল করতে পারবে।








